Posts

Brother-Sister relationship

No relation is complete.All relations are common in terms of love. But they are different in the manner and between people.Relationships are incomplete, so that we tried to stick together trying to make it complete. One of the most vital fundamental relation is Brother-Sister relationship after Parents-Child relationship.As every brother will be a future father and every sister will be a future mother.Here they fight,laugh,envy,cry,connects,compromise,talk,counsel,quarrel,abandon,curse,love and many more together.There are also some aspects that you can't get from this relationship but remember I alleged this relationship as fundamental.Neither the primary nor secondary.It's different. Alhamdulillah,I am fortunate enough to be surrounded by brother and sisters. #MIKParadox

খাঁচার পাখির

কখনো পাখি পোষ মানানোর সুযোগ পাই নি। জানতে ইচ্ছে করে বাপ্পা মজুমদার এর মুখে শোনা " আকাশ দেখে খাঁচার পাখির উড়ে যাবার ইচ্ছে হতেই পারে" কথাটা সত্য কিনা!চন্দনা মজুমদারও হয়ত একমত ছিলেন," বহুদিনের পোষা পাখি দিল আমায় ফাঁকি।" পোষা পাখি ই যদি হয়ে থাকে তাহলে আবার উড়ে যাবার ইচ্ছেই বা কি করে হয়! অবাক লাগে না! তবে মনে হয় খাঁচায় বন্দী পাখি তো, পোষ না মানা ছাড়া আর কোন পথ ও ছিল না। খাঁচার বাহিরের পোষা পাখিদের কখনো ফাঁকি দিতে শুনিনি। পশুদেরও না। কথা বলা পাখি মানুষের ভাষা শেখে,মানুষের ভাষায় কথা বলে। মানুষ পাখির ভাষা বোঝে না। আমি একবার এক বিড়ালের ছোট বাচ্চা পুষতে চেয়েছিলাম।দুই জনের মিস কমিউনিকেশন আর আমার বেশি কেয়ারিং এর জন্য পরে সেটা আর হয় নাই। পশুদের আবেগ বেশি কিন্ত বিবেক নাই। তবে কিছু প্রাণীর থাকে ঠিক যেমন আমাদের কিছু মানুষের থাকে না। কিশোর কুমার শুনিয়েছেন,"একদিন,পাখি উড়ে যাবে যে আকাশে,ফিরবে না সে তো আর কারও আকাশে ।"জোর করলে পশু পাখি পোষ মানে, সুযোগ বুঝে কালে ভাদ্রে ফাঁকিও দেয়।কিন্ত মানুষকে কখনো পোষ মানানো যায় না। মানুষ ঐ খাঁচার পাখির মতই। #MIKParadox

স্মৃতি

কাছের মানুষেরা দূরে চলে গেলেই মনে হয় ইস! আরেকটু থাকত নাহয়! কাছে থাকলে ঠিক সেই রকম কেন যেন লাগত না।এক কাপ চা খাওয়ার সাথে করার কত কথা কত গল্প মনে হয় রয়ে গেল!  সাথে করা অকারণ ঝগড়াগুলো খুব মনে দাগ কাটে,যে কি বোকা বোকা ঝগড়াই না করলাম। তর্ক গুলো এম্নে এম্নেই করা, না করলেই বা কি হত! হাসির মুহূর্ত গুলো মনে করে করে একাই হাসি।সময়কে বড় প্রতারক মনে হয়। কেন যেন মনে হয় অল্প করে দেয়,কম দেয়। আসলে ভুল। সময় সময়ের গতিতেই দেয়। আমরাই অল্প বা বেশি হিসেব করি। আমাদের চলক জীবন ধ্রুবক সময়ের হিসেব মিলাতে হিমশিম খায়। দূরের বা কাছের মানুষের গল্প আমি অনেকই বলি,অনেকই লিখি। মানুষ হয়ত বিরক্ত হয়।কিন্ত এইটাই জগতের অন্যতম বড় সত্য।সবাই এই সত্যটা জানে,বুঝে। তাই দেখেও না দেখার ভান করে,বুঝেও অবুঝ থাকে।তারাও হয় এমনটিই করে বা ভাবে।  আমি একা একা বসে চুপ করে ভাবি।মুনীর চৌধুরী বেঁচে থাকলে হয়ত এই নিয়ে লিখতেন।মানুষ ছোটবেলায় কাছে থাকে,বড় হলে দূরে যায়,কারণে অকারণে দূরে যায়। সকালে-বিকালে দূরে যায়।  স্মৃতি বড়ই প্রতারক হলেও এই স্মৃতিই কাছে রাখবে সবসময়। হারাতে দেবে না কাউকে। দূরে গেলেও রেখে যাবে স্মৃতি। দূরে যাওয়াটা...

Set theory!

Let's have some fun with Set theory that we learn @class 9 in general math. Consider our life as set U If I am set A and other peoples in general each are set B i.e B = U - A = A' it's possible to find A U B , A ∩ B, A - B, A', A x B etc.etc. But it's never possible to find A = B as B = U - A = A' and A ≠ A' Then I have to accept that reality and I am OK with that. Why so serious! # Allegory # MIKParadox

রূপকের আশ্রয়ে লিখা

১) কাউকে অন্ধকারে ঠেলে দেয়ার মানে এই না যে আপনি নিজে আলোর দেখা পেয়ে গিয়েছেন বলে এই কাজ করেছেন। আসন্ন আরো জমাটবাঁধা কালো অন্ধকার থেকে তাকে মুক্ত রাখতেই বর্তমানে তাকে অপেক্ষাকৃত সামান্য (ভবিষ্যতের তুলনায়) অন্ধকারে ঠেলে দিয়েছেন। (২) রান্না ভালো হয়নি তার মানে এই নয় যে আমি ভালো রাঁধতে জানি বা তার থেকে ভালো পারবো। সেটা যিনি রাঁধুনি রান্না করছেন, তিনি ভালো জানেন আমার থেকে (বহুগুণে)। আমি শুধু বললাম যে রান্নার স্বাদ যেটা আছে সেটা হয়ত অন্যভাবে বাড়ানো যেত (আমার ব্যক্তিগত অভিমত মাত্র)। আমার নিজের পদ্ধতিটি আমি শুধুমাত্র উপস্থাপন করলাম। (৩) কারো হাতের পেন্সিল্টাই সবচেয়ে বড় বা সবচেয়ে ছোট না। বড়-ছোট সেটা অবশ্যই অন্যের হাতের পেন্সিলের সাপেক্ষে। তবে সেই সাপেক্ষের ব্যপারটিও পরিবর্তনশীল।রহিমের পেন্সিল করিমের থেকে বড়,করিমের পেন্সিল আবুলের থেকে বড়। তার মানে এই নয় যে গণিতের হিসেবে রহিমের পেন্সিল আবুলের থেকে বড় হয়ে গেছে। আরে ভাই যেখানে পদার্থবিদ্যায় ভেক্টর বীজগণিতের স্বাভাবিক নিয়মের ব্যতিক্রম করে,আমাদের মানুষের ক্ষেত্র তো আরো বৈচিত্র্যময়। (৪) আমরা মানুষ। আমাদের সীমাবদ্ধতা আছে। রাঁধতে জানা মানেই যে চুল বাঁধতে...

ভাই-বোন

থাকুক না কিছু নিজের মত, ঠিক মন মত। পছন্দগুলো সব উড়ে যায়,মানুষ দূরে যায়, প্রয়োজনে সেচ্ছায় খুশিতে। স্বপ্ন পূরণে সবাই ছেড়ে যায়,ভালোবাসা মাখা চা-কফির ইতি হয়। একসাথে বসে করা গল্প স্মৃতি হয়,তাতেও যদি কারো মনের খুশি হয়,ভালো হয়। বাঁধনহীন ভাবনাগুলো ঘুরে বেড়ায়।হয়ত একটা রুবিক্স কিউব আর আন-উটিলাইজড ব্রেইনেরই বন্ধুত্ব হয়। পৃথিবী বড়ই অদ্ভুত জায়গা। ছোটবেলায় একসাথে থাকো,বড় হলে দূরে চলে যাও। ছোটবেলায়ই ভালো ছিলাম। ভাই-বোন সবাই বাসায় একসাথে থাকতাম। কোন টেনশন নাই। আস্তে আস্তে,একে একে সবাই বড় হতে শুরু করলাম। বড় হওয়ার পর সেই রকম আর খুব বেশি একসাথে বাসায় থাকা হয় না। কেউ বা পড়ালেখা,কেউ বা কাজের প্রয়োজনে দূরে যাওয়া শুরু করলো। কেউ বাসা থেকে গেলো তো কেউ আবার আসলো। এইভাবে কিছু বড় সরকারি বন্ধ ছাড়া ভাইবোনদের সেই ছোটবেলার মত করে একসাথে বাসায় থাকা হয় না। থাকলেও বেশীরভাগ সময়ই নিজেদের গল্পগুলা এখন নিজেদের রুমে আর ল্যাপটপের/মোবাইলের সাথেই সীমাবদ্ধ থাকে।সময়ের প্রয়োজনেই আর নিয়তির লিখনেই একদিন সবাই মিস করবে একসাথে বসে গল্পকরা,খাবার খাওয়া। আস্তে আস্তে দিন বদলাবে,একসাথে থাকা হবে কালে-ভাদ্রে। হয়ত থাকাও হবে না। সবাই ...

থেটা নোটেশনে

কিছু গল্প শুরুর দিকে। কিছু গল্প শেষের পথে। কিছু গল্প অসমাপ্ত আছে। অসমাপ্ত গল্পগুলোই ভালো লাগে,আবার ভালোলাগে না। বিগ ও তেও নাই,ওমেগাতেও নাই। রয়ে গেল থেটা নোটেশনে।মাঝামাঝি। একটা সময় নিজেকে ম্যাজিশিয়ান হিসেবে ভাবতে চাইতাম। সত্যটা হল যে হয়ত আমি কখনোই ম্যাজিশিয়ান ছিলাম না। আমি ম্যাজিক করতে জানি না। মানুষের শরীর যন্ত্রের মতই। একটা কর্মদক্ষতা আছে। সময় যত বাড়ে যন্ত্র তত পুরনো হয়। এফিসিয়েন্সি কমতে থাকে।পৃথিবীর এইটাই নির্মম সত্য। সবার জন্যই। কিছু যন্ত্র হুট করেই নষ্ট হয়,কিছু বছরের পর বছর সার্ভিস দিয়ে যায়। ইলেক্ট্রনিক ইকুইপমেন্টের কোন গ্যারান্টি নাই। সবই লাক। সবাই এটাই বলে। তবে ইউজেসের উপর এফিসিয়েন্সি ডিপেন্ড করে। ইনভার্স্লি প্রপোরশনাল। নতুন করে কথা দিতে বড় অস্বস্তি হয়, পুরনো দেয়া কথা গুলোই যে এখনো রাখা হয় নি। রাখা হয় না।বড় বড় স্বপ্ন না দেখলেও ছোট করে দেখা স্বপ্ন টাও তো বাস্তবায়ন করার কথা ভাবি। সর্বসাকুল্যে আমি তো মাটির দেহের মানুষই। ভাবনায় আর বাস্তবায়নে যে বিস্তর ফারাক। দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগি মাঝে মাঝে। নিজের সাথে নিজে গল্প করতে করতে জীবনের হিসেব কষি। পরবর্তীতে হাসি মুখে বলে ফেলি যে,বর্তমানে জীবন...