Posts

সাধু সাবধান!!!!

হাইওয়েতে এবং রেসিং এ ওভারটেকিং ব্যাপারটা মেনে নেয়া যায়।জীবনের নানা ক্ষেত্রকে যারা হাইওয়ে বা রেসিংএর সাথে তুলনা করতে চায় তারা ঘোষণা করে দিক এই ব্যাপারটা। ওভারটেকিং টেন্ডেন্সি খারাপ না। ভালো। বাট রিমেম্বার সামটাইমস ওভারটেকিং কসেস অ্যাক্সিডেন্ট। আমার হাইপোথিসিস বলেঃকথা দুই রকম।লিউকোটক এন্ড ক্রোমোটক। কথা মানুষকে ছুঁড়ে ফেলে দেয় আবার এই কথাই মানুষকে কাছে টানে। কথা নীচে নামায়,কথাই উপরে উঠায়।কথার ক্ষমতা অদৃশ্য।রঙ্গিন কথা গুলো মনে থাকুক,রাঙিয়ে দিক দেহ আর মন। কপট সবসময় কপটই থাকে। কালে ভাদ্রে ভালো কিছু করলেও তা প্রথমে খারাপ বলেই ধরে নেয়া হয়।।কপটতার কারণে তার সকল কাজই বাই ডিফল্ট ভাবে নেগেটিভ বলে গণ্য হবে। যে সাধু তাকে কিন্তু সবাই সব কিছুর উচ্চে স্থান দেয়। তার স্থানে তাকে মহান মনে করা হয়। তার সকল কাজই বাই ডিফল্ট ভাবে পজেটিভ বলে গণ্য করা হয়।  একটি নেগেটিভ কাজ সাধুকে উপর থেকে নীচে ফেলে দেয়।আর সে পতন হয় ভয়াবহ। কপটের পতনের প্রয়োজন হয়না কারণ সে সবসময় নীচেই থাকে,আর কত নীচে নামবে। সাধুর পতন কতটুকু ভয়াবহ তা ক্ষেত্রবিশেষে অল্প বা বেশি হয়। সাধু সাবধান।  smile emoticon   ‪#‎ MIKParadox‬ ...

বকবক

একটু বাজে বকি.........কেমন? ******* ধানের বস্তায় সবসময় চিটা ধান থাকেই।বাজার থেকে কিনে আনা চালে/ডালে পাথর থাকবেই। সব ভালো কিছুর মধ্যে কিছু খারাপ কেন যেন থাকেই। সফল ব্যক্তিদের মাঝে মাঝে কেন যেন কিছু ছোট ব্যর্থতার গল্প থাকেই। শচীন টেন্ডুলকার অনেক বিখ্যাত ব্যাটসম্যান। তার রেকর্ডের জুড়ি মেলা ভার। কিন্তু তার রানের খাতায় কোন ইনিংসে যেমন ২০০* আছে তেমনো ০(শুন্য) ও আছে।আন্তর্জাতিক পর্যায়ের সকল ব্যাটসম্যানের কোন না কোন ইনিংসে শুন্য রান আছেই।সময় খুব কম। রেডি ফর অ্যাকশন। দুই একটা শূন্য টেন্ডুলকারের ২০০* কে কিছুই করতে পারবে না। প্রত্যেক সফল মানুষের জীবনের অল্প ব্যর্থতা কিছুই না যদি সেই ব্যর্থতা অনিচ্ছাকৃত হয়ে থাকে। কোন ব্যাটসম্যানই শূন্য মারার জন্য ক্রিজে নামে না।আর ইচ্ছা করে শূন্য মারেও না। তাই সেইসব শুন্য শুন্যই থাক। সেই গুলার জন্য দুঃখ না করি। ******* কাউকে কন্টিনিউয়াস পেইনদিলে সে একদিন পেইন ব্যাক করবেই সেটা দুষ্টামির ছলেই হোক বা রিয়েলেই হোক। ভালো তো ভালো না। পেইন ফর পেইন। অপমান ফর অপমান। ন্যাগ্লেক্ট ফর ন্যাগ্লেক্ট। টিট ফর ট্যাট। যারা সময় মত ব্যাক দিচ্ছে তাদের ধন্যবাদ। ব্যাক...

হ্যাপিনেসের পারসুইট আর কত দূর!!!!

মানুষ কিনা পারে? ঘোড়ার মত জীবনের খেলায় দৌড়াতে পারে, জীবনে ব্যর্থতার বোঝা নিয়ে গাধার মত নীরবে মুখ বুজে চলতে পারে।ছাগলের মত অন্যকে বিরক্ত করার জন্য ব্যা ব্যা করতে পারে। বিপদ থেকে পালাতে ব্যাঙের মত লাফ দিতে পারে।চিতার মত দ্রুততায় সাফল্যের শিখরে উঠতে পারে।আবার ছোট মেষ শাবকের মত খেয়ালের ভুলে উঁচু জায়গা থেকে গড়িয়ে নীচে পড়ে যেতে পারে।সিংহের মত দুশমনকে পরাস্ত করতে পারে। আবার রেগে গেলে হাতির মত হঠাৎ পাগল হয়ে যেতে পারে। অনেক সময় হেরে গিয়ে শিয়ালের মত লেজ গুটিয়ে পালাতেও পারে। সারমেয় এর মত প্রভুভক্ত হতে পারে।একটা পর্যায়ে এসে শ্লথ এর মত স্থবির ও হয়ে যেতে পারে।বাঘের মত একরোখা হয়ে চলতে পারে। বিড়ালের মত অলস হয়ে যেতে পারে। এতক্ষণ যা যা লিখলাম সবই মানুষকে পশুর সাথে তুলনা করে বলা হয়। কিন্ত একটা জিনিষ সবসময় সত্যি সেটা হলঃ মানুষ হয়ে জন্ম গ্রহণ করেছি,জানোয়ার হয়ে না। জানোয়ারের বিবেক নাই তাই তার কোন আক্ষেপ নাই,কষ্ট নাই।মানুষ হয়ে জন্ম নিয়েছি তাই কিছু কষ্ট নিয়ে বাঁচতে হয়।বাঁচতে হয় না পারার কষ্ট নিয়ে,বাঁচতে হয় হারানোর আশঙ্কা নিয়ে। সব কিছু ছেড়ে দিয়ে বাসায় চলে যেতে ইচ্ছে করে।আবার আগের মত ছোট্ট আদরের বাবু...

হাতের কাছে ভরা কলস; তৃষ্ণা মিটে না!!!!

বন্ধুত্ব আসলে শুধু কাগজের আর কলমের মধ্যে সীমাবদ্ধ না, বন্ধুত্ব মানে শুধু হাতে-হাত বা কাঁধে-কাঁধ মিলানো না। বন্ধুত্ব কোন বিনি সুতার মালা না যে গেঁথে ফেললাম। বন্ধুত্বের কোন সংজ্ঞা থাকতে পারে না। এটা দুই বা ততোধিকের মধ্যে ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক। তবে এই নেটওয়ার্ক Ad-hoc না।  বন্ধুত্ব আসলে একটা রিএকটিভ প্রোটকল  glasses emoticon   পৃথিবীতে অনেক ফুল ফুটে। গাছের ফুল গুলো আরো তাজা থাক। ফুল ছিঁড়ে  ফেললে দুই দিন পর শুকিয়ে যাবে। গাছে থাকলে অন্ততঃ তাজা তো থাকবে। শুকনো ফুলের থেকে তাজা ফুল ভালো নয় কি?  smile emoticon কিছু কমেন্ট আসলে পারসোনালিটিকে হার্ট করে। কোন ভুল না করেও ঐ ভুলে দোষী হতে খুব খারাপ লাগে।কারণ এই ভুল গুলোই একসময় সবার মনে সত্য হিসেবে দানা বাঁধে। আসল সত্য হয়ত এই মিথ্যার নিচেই চাপা পড়ে থাকবে।  putnam emoticon এখন সময় চলে এসেছে। ঐসব কমেন্টকে আর কেয়ার করার মন মানসিকতা নেই।সবাই যেটা ভেবে মজা পায় বা মজা নেয় তারা মজা পাক বা নিক। ‪#‎ ইনশাআল্লাহ্‌‬   grin emoticon   কাজ করার সময় নিজের মন মত মানুষ খুঁজে পাওয়া খুবই ভাগ্যের ব্যাপার।কিন্ত না পাওয়াটা খুবই হতাশ...

ফাহাদ ও মৎসকুমারীর গল্প( শেষ পর্ব )

                                             । ৫ । সর্দিতে মাখামাখি অবস্থা। মোছার জন্য মনের অজান্তেই পকেটে হাত দিল ফাহাদ। পেয়ে গেল খাদিজার দেয়া টাওয়েল।মনে পরল খাদিজকে নতুন টাওয়েল দিবে বলে কথা দিয়েছিল। -কি হল??? চল সূর্য ওঠার বেশি দেরী নেই। -না আমি যাব না। আমি যদি চলে যাই তাহলে আর কখনো সকালে উঠে সূর্য কে বলতে পারব না গুড মর্নিং মামা। তোমার মত সূর্যকে ভয় পেয়ে থাকতে হবে। আমার আব্বু হয়ত আমাকে বকা দিয়েছে কিন্ত উনি আমাকে হাতে ধরে ছোটবেলায় হেঁটেছেন। হোঁচট খেলে তুলে নিয়ে আবার আদর করেছেন। কান্না করায় চোখের পানি মুছে ললিপপ কিনে দিছেন। আর আম্মু!!!! উনি তো এখনো আমাকে মুখে তুলে ভাত খাইয়ে দেন যদি আমি ভাত না খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ি। - বাহ্!!! সিধান্ত পরিবর্তন করে ফেললে এতো তাড়াতাড়ি? এখন ভালো লাগে সূর্য মামা,আব্বু-আম্মু?? - আর আমি হয়ত কিছু পারি বা না পারি তবে কথা দিয়ে কথার বরখেলাপ করি না। আমি তোমার সাথে যেতে পারব না। আমাকে আগের জায়গায় নিয়ে চল। -তোমার মত ছেলে আগের কখনো দেখি নি। ভালো...

ফাহাদ ও মৎসকুমারীর গল্প(পর্ব ২)

                                         । ৩ । রাত একটা বেজে কুড়ি মিনিট। সবাই হোটেলে ফিরে গেছে। বাহিরে কনকনে শীত। আর আছে শৈতপ্রবাহ। একটা সোয়েটার আর মাফলার নিয়ে রুম থেকে আস্তে করে বেরিয়ে এলো ফাহাদ। সবাই রুমে কম্বলের নীচে গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। সী-বিচে কাউকে দেখতে পেলো না। শুধু কয়েকটা কুকুর একে অপরকে তাড়া করছে আর খেলছে। সি বীচে বসার জন্য কাঠের কিছু বেঞ্চ আছে। ফাহাদ একটা দেখে হাত দিয়ে একটু ঝাড়া দিয়ে বসল। ফাহাদকে দেখে কুকুরগুলো কয়েকবার হাঁক ছাড়ল। ফাহদের মন খারাপ হয়ে গেল। জীবনের ব্যর্থতার বোঝা থেকে নিষ্পত্তি পাওার ব্যপারে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলল। ফাহাদ আস্তে করে কূল ছেড়ে পানির দিকে এগিয়ে গেলো। পানি প্রচণ্ড ঠাণ্ডা। স্রোতের ঝাপ্টায় মুখে নোনা পানির স্বাদ পেল মুখে। জীবনের গ্লানি আর সহ্য হচ্ছে না। পারছেনা আর ব্যর্থতার লাগাম টেনে ধরতে। ভাবছে এই ভাবে পৃথিবীর বোঝা হয়ে থাকা আর ঠিক হচ্ছে না। ঠাণ্ডা পানিতে কোমর পর্যন্ত নেমে গেলো। আর অল্প একটু।তারপর সব ঠিকঠাক হয়ে যাবে। আব্বুর বকাও আর শ...

ফাহাদ ও মৎসকুমারীর গল্প(পর্ব ১)

                                              । ১ । ফাহাদের ভালো লাগছে না। কক্সবাজারের পথে বাস ছুটে যাচ্ছে।ফাহাদ জানালার দিকের সিটে বসে আছে। হু হু করে ঠাণ্ডা বাতাস বইছে। এইবারো রেজাল্ট ভালো হয় নি। বাসা থেকে ইচ্ছে মত বকে দিয়েছে আব্বু। আম্মু কিছুই বলে নি। আম্মুর মুখের সেই আগের হাসি এখনো আছে। তবে আম্মুর চেহারা দেখলে বোঝা যায় যে কোথাও কিছু একটা ঠিক নেই। বাসা থেকে এবার রাগ করে হলে ফিরে এসেছিল। চুল বড় রেখেছে। বাহিরে ঘোরাঘুরি প্রায় বন্ধই করে দিয়েছিল। ভার্সিটি থেকে ট্যুর দিল। ফাহাদ একটু হাফ ছেঁড়ে বাঁচল। কিন্তু এই শীতের মধ্যে এই ট্যুর ফাহাদের জন্য উল্টো বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়ালো। বাসে উঠার এক ঘণ্টা আগে থেকেই হাঁচি আর সর্দির প্রাদুর্ভাব। কিন্তু বাসে উঠার পর হঠাৎ মাথা ঘুরতে লাগলো। পাশের সিটের বন্ধুকে অনুরোধ করে জানালার পাশে বসলো। আগের জানালার পাশে সিট পায়নি। বাসে বাকী ছেলে-মেয়েরা খুব হই হুল্লোড় করছে। কক্সবাজার ট্যুর বলে কথা!! কিন্তু ফাহাদের অসুস্থতা তাকে এই সুযোগ দিচ্ছে না। ঠা...